প্রগতি বার্তা
ব্রেকিং নিউজ
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...
00:00:00

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি দমনে কঠোর আইন, সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড।

সংসদ অধিবেশন

 প্রগতি ডেস্ক: পাবলিক পরীক্ষায় প্রযুক্তিনির্ভর জালিয়াতি, প্রশ্নফাঁস, সংঘবদ্ধভাবে নকল এবং পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম ঠেকাতে 'পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬' জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। নতুন আইনে ডিজিটাল কারসাজি, পরীক্ষার ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশ, পরীক্ষার তথ্য পরিবর্তন বা মুছে ফেলা, নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ এবং সংঘবদ্ধ পরীক্ষা-অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। শিক্ষামন্ত্রী ড. এএনএম এহসানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করেন। নতুন আইনটি ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন সংশোধনের মাধ্যমে বর্তমান সময়ের প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলার উপযোগী করে প্রণয়ন করা হয়েছে।

সংশোধিত আইনে প্রথমবারের মতো 'ডিজিটাল কারসাজি'-র সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় পাবলিক পরীক্ষার ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, বিকৃতি, মুছে ফেলা বা গোপন করাকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। এসব অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। আইনে আরও বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ বা প্রবেশের চেষ্টা করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পাশাপাশি পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত বৈধ নির্দেশনা অমান্য করলেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া সংঘবদ্ধভাবে পরীক্ষায় জালিয়াতি, পরীক্ষার্থীকে অসাধু উপায়ে সহায়তা করা, নকলের পরিকল্পনা বা এ ধরনের অপরাধ সংঘটনে চুক্তি করাকেও নতুন আইনে পৃথক অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব অপরাধের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

শুধু পরীক্ষার্থী নয়, মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া পরীক্ষকরাও আইনের আওতায় আসবেন। কোনো পরীক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। তবে তৃতীয় পরীক্ষকের মূল্যায়নের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পরই এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার এবং ডিজিটাল মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় প্রায় ৪৫ বছর পুরোনো আইনটি যুগোপযোগী করার প্রয়োজন দেখা দেয়। নতুন সংশোধনের মাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমনে কার্যকর আইনি কাঠামো গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post a Comment (0)

নবীনতর পূর্বতন
📢 আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন
প্রগতি বার্তা
আপনার ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার করুন
হাজারো পাঠকের কাছে পৌঁছে দিন আপনার বিজ্ঞাপন
progatibarta.com

💬 WhatsApp এ যোগাযোগ করুন
সরাসরি যোগাযোগ: ০১৩০৯০৮১৪৯০

𝑷𝒓𝒐𝒈𝒂𝒕𝒊𝑩𝒂𝒓𝒕𝒂

প্রগতি বার্তা
সত্যের সন্ধানে নির্ভীক