ডেস্ক রিপোর্ট: রপ্তানির নতুন বাজার সম্প্রসারণ, নতুন ক্রেতা খোঁজা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিশ্বের ২৭টি দেশে অনুষ্ঠিত ৫০টি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ। এ কর্মসূচির আওতায় ১২টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত রপ্তানি খাতকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করবে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইপিবির সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির ১৪৯তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ক্যালেন্ডার অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী ও ইপিবির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে রপ্তানি খাতের বহুমুখীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনাময় বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের উপস্থিতি বাড়াতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। ইপিবি জানায়, চলতি অর্থবছরে অংশগ্রহণের জন্য যে ১২টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত নির্ধারণ করা হয়েছে, তার মধ্যে তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, হিমায়িত খাদ্য, ওষুধ, হালকা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, প্লাস্টিক, সিরামিক, হোম টেক্সটাইল এবং হস্তশিল্পসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত রয়েছে।
এসব আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি ব্যবসায়িক যোগাযোগ স্থাপন, নতুন রপ্তানি আদেশ সংগ্রহ, যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি এবং দেশীয় পণ্যের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিংয়ের সুযোগ পাবেন বলে আশা করছে ইপিবি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ার এই সময়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি কার্যকর কৌশল। নতুন বাজারে প্রবেশের পাশাপাশি বিদ্যমান বাজারে অবস্থান আরও শক্তিশালী করতেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

0 মন্তব্যসমূহ