ক্রীড়া ডেস্কঃ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) পিসিবির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বোর্ডের মিডিয়া পরিচালক আমির মীর জানান, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত শৃঙ্খলা ও আচরণসংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো বর্তমানে অভ্যন্তরীণভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে তদন্তটি কোনো নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে কেন্দ্র করে কি না, কিংবা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট ধরন কী—এসব বিষয়ে পিসিবি এখনো বিস্তারিত জানায়নি।
পিসিবি জানিয়েছে, তাদের নিয়মিত প্রক্রিয়া ও বোর্ডের বিধিমালা অনুসরণ করেই তদন্ত পরিচালিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য ও বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করা হবে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেই বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। হেডিংলিতে প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে পরাজিত হয় দলটি। এর পরই পিসিবি দলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে।
দ্বিতীয় টেস্টের পর সাতজন ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক ও সালমান আলী আগার মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারও রয়েছেন। একই সময়ে প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তৃতীয় টেস্টের জন্য মাইক হেসনকে প্রধান কোচ এবং অ্যাশলে নফকেকে বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হলেও পিসিবি এখন পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ বা শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। তাই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন দাবি ও গুঞ্জনকে তদন্তের চূড়ান্ত ফল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হওয়ার কথা ৯ সেপ্টেম্বর, এজবাস্টনে। সিরিজে ইতোমধ্যে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন