সাজ্জাদ হোসাঈন শাহীন (স্টাফ রিপোর্টার)
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ৪ নম্বর নাংলা ইউনিয়নের মাঝবন্দ নাংলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জহুরুল ইসলাম (৫৫) মেলান্দহ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে মো. মোস্তফা (৪০), মো. মানিক জল (৬০), মিস্টার (৪০), মো. আজম (৩০), মো. সজীব (২০), মো. শামছুল (৩৫), বাবু (২০) ও মো. মঞ্জুর (২৫)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা সবাই মাঝবন্দ নাংলা গ্রামের বাসিন্দা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও ২ থেকে ৩ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে বিবাদী করা হয়েছে।
জহুরুল ইসলামের অভিযোগ, অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তাঁর পৈতৃক ও ক্রয়কৃত জমিতে সীমানা নির্ধারণ করে বাউন্ডারি নির্মাণ করা হয়েছিল। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর জমিতে গিয়ে সীমানা ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ সময় বাধা দিতে গেলে তাঁকে ও তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজনকে মারধর করা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
জহুরুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, একই দিন সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা ফের তাঁর বসতবাড়িতে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালান। এ সময় তাঁর স্ত্রীকে গলা চেপে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় ঘরে থাকা প্রায় ১০ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, যার আনুমানিক মূল্য এক লাখ ১০ হাজার টাকা, এবং নগদ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যান বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যে সীমানা প্রাচীর ভাঙা হয়েছে সেটি তাঁদের জমির সীমানার ভেতরে নির্মাণ করা হয়েছিল। এ কারণেই প্রাচীরটি ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন