যশোরের মণিরামপুরে পুলিশের বিশেষ চেকপোস্টে একটি মিনি পিকআপ থেকে ৬২ হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ৫০ পিস উইনসেরেক্স কফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পিকআপটির চালক ফারুক হোসেন ওরফে জুয়েল (৩৯)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মিনি পিকআপটি জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১টা ৫ মিনিটের দিকে মণিরামপুর উপজেলার ৯ নম্বর ঝাঁপা ইউনিয়নের ডুমুরখালী-রাজগঞ্জ সড়কের কোমলপুর বাজার এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু সাঈদের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মো. আমিরুল ইসলাম, এসআই (নিঃ) ওবায়দুর রহমানসহ সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোমলপুর বাজারে রাফেজা টেলিকমের সামনে পাকা সড়কে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করেন।
এ সময় একটি মিনি পিকআপ থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। গাড়িটির একমাত্র চালক ফারুক হোসেন ওরফে জুয়েলকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেখানো মতে পিকআপের ড্রাইভিং সিটের পেছনে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা মাদকদ্রব্যগুলো উদ্ধার করা হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে পুলিশি অভিযানের স্থান, সময় ও উদ্ধার করা ট্যাপেন্টাডলের পরিমাণও একইভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযানে উদ্ধার করা হয় ৬২ হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং ৫০ পিস উইনসেরেক্স কফ সিরাপ। পাশাপাশি মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেফতার ফারুক হোসেন ওরফে জুয়েল (৩৯) সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার শ্রীপতিপুর পূর্ব এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে। প্রকাশিত সংবাদেও তাঁর বয়স, নাম ও ঠিকানা পুলিশের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা মাদকগুলো পিকআপের চালকের আসনের পেছনে বিশেষ কায়দায় রাখা হয়েছিল। পুলিশের অভিযানের সময় চালককে আটক করার পর তাঁর দেখানো স্থান থেকে এসব মাদক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার ফারুক হোসেন ওরফে জুয়েলকে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্যও প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন