৩৮৪ ম্যাচেই ক্লাব ক্যারিয়ারের ৩০০ গোল, এমবাপ্পে ও রোনালদোকে পেছনে ফেললেন হালান্ড।
নতুন মৌসুমে অনেকটাই নতুন রূপে সেজেছে ম্যানচেস্টার সিটি। দলে এসেছে পরিবর্তন, নতুন পরিকল্পনা ও নতুন মুখ। তবে একটি জায়গায় যেন কোনো পরিবর্তন নেই—এরলিং হালান্ডের গোল করার অসাধারণ ধারাবাহিকতা।
নরওয়ের এই তারকা স্ট্রাইকার আবারও প্রমাণ করলেন, গোলের সামনে তিনি কতটা ভয়ংকর ও নির্ভরযোগ্য। দলের জয়ে অবদান রাখার পাশাপাশি নিজের ক্লাব ক্যারিয়ারেও স্পর্শ করেছেন দুর্দান্ত এক মাইলফলক।
প্রিমিয়ার লিগে শনিবার কোভেন্ট্রির বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ে ম্যানচেস্টার সিটি তাদের শতভাগ জয়ের ধারা বজায় রাখে। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে হালান্ডের মাথা থেকে। আর সেই গোলই তাকে পৌঁছে দেয় বিশেষ এক রেকর্ডের সামনে।
মাত্র ৩৮৪ ম্যাচে ক্লাব ক্যারিয়ারের ৩০০ গোল পূর্ণ করেছেন হালান্ড। গোলের এই গতিতে তিনি পেছনে ফেলেছেন বর্তমান ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং পর্তুগিজ কিংবদন্তি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে।
৩০০ গোলের মাইলফলকে পৌঁছাতে শীর্ষ ফুটবলারদের ম্যাচসংখ্যা—
খেলোয়াড়
৩০০ গোল করতে ম্যাচ
লিওনেল মেসি
৩৬৫
এরলিং হালান্ড
৩৮৪
কিলিয়ান এমবাপ্পে
৩৯৮
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো
৪৯৯
এই তালিকায় সবচেয়ে দ্রুত ৩০০ ক্লাব গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। তার পরেই রয়েছেন হালান্ড।
অর্থাৎ, মাত্র ৩৮৪ ম্যাচে ৩০০ গোল করে হালান্ড এখন গোলের গতির হিসেবে এমবাপ্পে ও রোনালদোর চেয়ে এগিয়ে।
অল্প সময়ের মধ্যেই ইউরোপীয় ফুটবলে নিজেকে অন্যতম ভয়ংকর স্ট্রাইকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন হালান্ড। জার্মানির বুন্দেসলিগা থেকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ—প্রতিটি পর্যায়েই তার গোল করার ক্ষমতা প্রতিপক্ষের জন্য বড় আতঙ্ক হয়ে উঠেছে।
বিশেষ করে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর গোলের নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছেন নরওয়েজিয়ান এই তারকা। তার শক্তি, গতি, শারীরিক সামর্থ্য এবং গোলের সামনে অসাধারণ ফিনিশিং তাকে আধুনিক ফুটবলের সবচেয়ে কার্যকর ফরোয়ার্ডদের একজন করে তুলেছে।
নতুন মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটির চেহারায় পরিবর্তন এলেও একটি বিষয় আগের মতোই রয়েছে—গোলের জন্য হালান্ডের ওপর নির্ভরতা।
৩০০ ক্লাব গোলের মাইলফলক এখন তার ক্যারিয়ারের আরেকটি বড় অধ্যায়। সামনে আরও অনেক রেকর্ড অপেক্ষা করছে ২৬ বছর বয়সী এই নরওয়েজিয়ান তারকার জন্য।
এখন দেখার বিষয়, গোলের এই অবিশ্বাস্য গতি ধরে রেখে হালান্ড ভবিষ্যতে লিওনেল মেসির আরও কাছাকাছি যেতে পারেন কি না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন