ডেস্ক রিপোর্টঃ রাজধানীর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তার পরনে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট ও লুঙ্গি ছিল।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বনানী থানা পুলিশ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তার মুখ স্কচটেপ দিয়ে বাঁধা ছিল। পোশাকের ধরন দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক হতে পারেন। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পুরো অংশ নিরাপত্তা ক্যামেরার আওতায় রয়েছে। এমন নজরদারির মধ্যেও কীভাবে ওই ব্যক্তির মরদেহ এক্সপ্রেসওয়ের ওপর পৌঁছাল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, ব্যক্তিকে অন্য কোথাও হত্যার পর রাতে বা ভোরের কোনো একসময় মরদেহটি এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এটিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে বলা যাচ্ছে না।
বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, সকাল পৌনে ৯টার দিকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। তিনি বলেন, এক্সপ্রেসওয়ের নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে মরদেহটি কখন এবং কীভাবে সেখানে আনা হয়েছে এবং কারা এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে, তা শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।
পুলিশের আরেক কর্মকর্তা এসআই নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
পুলিশ বর্তমানে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন