প্রগতি বার্তা
ব্রেকিং নিউজ
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...
00:00:00

প্রধানমন্ত্রীর চমক! সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষন মহড়ায় নিবিড়ভাবে সময় দিলেন।

প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সেনা ড্রিল এ

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়ার মাঠে সরাসরি উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে পরিচালিত ‘৮ বীর’-এর গ্রীষ্মকালীন মহড়ায় আকস্মিকভাবে উপস্থিত হন। 
সরকারি সূত্রের দাবি, এ ধরনের প্রশিক্ষণ এলাকায় এর আগে কোনো প্রধানমন্ত্রী স্বশরীরে যাননি। 
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ সময় ধরে মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি পায়ে হেঁটে মহড়ার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন, সেনাসদস্যদের ব্যবহৃত বাঙ্কার ও অস্থায়ী অবস্থান পরিদর্শন করেন এবং প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। সেনাদের প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং তাদের মনোবল বাড়াতে উৎসাহব্যঞ্জক বক্তব্য দেন। 
পরিদর্শনের একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে একই পরিবেশে মাঠের খাবার গ্রহণ করেন এবং চা পান করেন। এ সময় তিনি বলেন, দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখে। জাতীয় সংকট মোকাবিলা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং দুর্যোগকালীন বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সবসময় প্রস্তুত রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। 
তিনি আরও সন্তোষ প্রকাশ করেন যে, সেনানিবাসে ফিরে সেনাবাহিনী পূর্ণোদ্যমে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আধুনিক ও বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাহিনীর সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। 

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী পুরো প্রশিক্ষণ এলাকা ঘুরে দেখার পাশাপাশি মহড়ায় ব্যবহৃত বিভিন্ন কৌশল, সরঞ্জাম এবং যুদ্ধ প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ব্রিফিং গ্রহণ করেন। তার এ আকস্মিক উপস্থিতি প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া সেনাসদস্যদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। 
সরকারি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় সরাসরি উপস্থিত হয়ে মাঠপর্যায়ের সেনাসদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করলেন। এ ঘটনাকে সামরিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের প্রতি সরকারের প্রত্যক্ষ আগ্রহ ও সমর্থনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post a Comment (0)

নবীনতর পূর্বতন
📢 আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন
প্রগতি বার্তা
আপনার ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার করুন
হাজারো পাঠকের কাছে পৌঁছে দিন আপনার বিজ্ঞাপন
progatibarta.com

💬 WhatsApp এ যোগাযোগ করুন
সরাসরি যোগাযোগ: ০১৩০৯০৮১৪৯০

𝑷𝒓𝒐𝒈𝒂𝒕𝒊𝑩𝒂𝒓𝒕𝒂

প্রগতি বার্তা
সত্যের সন্ধানে নির্ভীক