প্রগতি বার্তা
ব্রেকিং নিউজ
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...
◷ 00:00:00

মোদি সরকারকে কতটা বড় ধাক্কা দিতে পারল তরুণরা?

জেন জি ককরোচ জনতা পার্টি

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতে জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলনের আপাতত সমাপ্তি ঘটেছে। তবে আন্দোলন থেমে গেলেও এর রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলছে। নরেন্দ্র মোদি সরকারের ওপর তরুণদের এই আন্দোলন কতটা চাপ তৈরি করতে পেরেছে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে অনিয়ম, পরীক্ষাব্যবস্থার নানা সমস্যা এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ থেকেই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়তে থাকে এবং এটি সরকারের জন্য বড় ধরনের জনচাপের রূপ নেয়।

আন্দোলনকারীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। পাশাপাশি পরীক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার, অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিও সামনে আসে।

আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত সরকার একাধিক বিষয়ে ছাড় দিতে রাজি হয়। এর মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়টি আন্দোলনকারীদের জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরীক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার এবং আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও সরকারের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই আন্দোলন মোদি সরকারের জন্য সরাসরি সরকার পতনের হুমকি তৈরি না করলেও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি বার্তা দিয়েছে। বিশেষ করে ভারতের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী সংগঠিত হয়ে সরকারের নীতির বিরুদ্ধে চাপ তৈরি করতে পারে—এই বাস্তবতাই সামনে এসেছে।

২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় আন্দোলন হলেও সাম্প্রতিক এই তরুণ আন্দোলনকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ এটি কেবল কোনো একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়; বরং তরুণদের শিক্ষা, পরীক্ষা, চাকরি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা তৈরি করেছে।

তবে আন্দোলনের সমাপ্তিকে মোদি সরকারের রাজনৈতিক পরাজয় বা সরকার পতনের সূচনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং বলা যায়, আন্দোলনকারীরা নির্দিষ্ট কিছু দাবিতে সরকারকে আলোচনায় বসতে এবং কিছু ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে চাপ দিতে সক্ষম হয়েছে।

সব মিলিয়ে জেন-জি’র আন্দোলন ভারতের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দিয়ে গেল। তরুণদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অসন্তোষকে উপেক্ষা করলে ভবিষ্যতে তা আরও বড় রাজনৈতিক চাপে রূপ নিতে পারে—এই বার্তাই সম্ভবত আন্দোলনের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক তাৎপর্য।

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post a Comment (0)

নবীনতর পূর্বতন
📢 আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন
প্রগতি বার্তা
আপনার ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার করুন
হাজারো পাঠকের কাছে পৌঁছে দিন আপনার বিজ্ঞাপন
progatibarta.com

💬 WhatsApp এ যোগাযোগ করুন
সরাসরি যোগাযোগ: ০১৩০৯০৮১৪৯০

𝑷𝒓𝒐𝒈𝒂𝒕𝒊𝑩𝒂𝒓𝒕𝒂

প্রগতি বার্তা
সত্যের সন্ধানে নির্ভীক