প্রগতি বার্তা
ব্রেকিং নিউজ
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...
◷ 00:00:00

মিরপুরে 'রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে'২ হামলা-ভাঙচুর, গ্রেফতার ৪ জন।

মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনায় চারজন গ্রেপ্তার

 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহআলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে মিরপুর-১ নম্বরে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, মুখোশধারী দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে প্রবেশ করে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করেন। এরপর কেন্দ্রের বিভিন্ন মালামাল ও সরঞ্জাম লুট করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির ওষুধ, ভ্যাকসিন, চিকিৎসা সরঞ্জাম, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়। পরে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবনসহ কেন্দ্রটির স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়।

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার জানিয়েছেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি সরকারের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে এলাকার দরিদ্র ও অসহায় নারী-শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, প্রসূতিসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা দিয়ে আসছিল। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হামলা ও ভাঙচুরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ঘটনার পর কেন্দ্রটির জমি দখলকে কেন্দ্র করে বিরোধের অভিযোগও সামনে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কয়েক বছর ধরে একটি সমবায় সমিতির নামে কিছু ব্যক্তি জায়গাটি দখলের চেষ্টা করছিলেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।

এ ঘটনায় রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের পক্ষ থেকে শাহআলী থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় একজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

এরই মধ্যে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এদিকে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় এর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দেওয়া স্বাস্থ্যসেবা কীভাবে চালু রাখা হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, টিকাদান কর্মসূচি চালু রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের মাধ্যমে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের সঙ্গে কারা জড়িত এবং ঘটনার পেছনে কী কারণ ছিল, তা বের করার চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post a Comment (0)

নবীনতর পূর্বতন
📢 আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন
প্রগতি বার্তা
আপনার ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার করুন
হাজারো পাঠকের কাছে পৌঁছে দিন আপনার বিজ্ঞাপন
progatibarta.com

💬 WhatsApp এ যোগাযোগ করুন
সরাসরি যোগাযোগ: ০১৩০৯০৮১৪৯০

𝑷𝒓𝒐𝒈𝒂𝒕𝒊𝑩𝒂𝒓𝒕𝒂

প্রগতি বার্তা
সত্যের সন্ধানে নির্ভীক