প্রগতি বার্তা
ব্রেকিং নিউজ
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...
◷ 00:00:00

৯ হাজার কাগজের মুখোশ ও ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ ' যুবলীগ নেতা' গ্রেফতার।

৯ হাজার কাগজের মুখোশ ও ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা

 ডেস্ক রিপোর্টঃ রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার কাগজের মুখোশ, বিস্ফোরক দ্রব্য ও ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ ঘটনায় জাহিদ হাসান ইমন (৩০) নামে যুবলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার বাগাশুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ইমন লালবাগের ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম প্রিভেনশন-সাউথ) মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়া।

পুলিশ জানায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার তদন্তে যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুরসহ ওয়ারী বিভাগের সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে জাহিদ হাসান ইমনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এরই ধারাবাহিকতায় তার অবস্থান শনাক্ত করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাগাশুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে গ্রেপ্তারের পর ইমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম কস্টিক সোডা, ১ কেজি ৬০০ গ্রাম সালফার, ৫ কেজি মারবেল, ২ কেজি ১ ইঞ্চি তারকাঁটা, ককটেল মোড়ানোর কাজে ব্যবহৃত ২০টি লাল কস্টেপ ও ১১টি কালো কস্টেপ।

এ ছাড়া তিন কার্টুনে রাখা কাগজের তৈরি মোট ৯ হাজার মুখোশ এবং মুখোশ পরার জন্য ৩০ প্যাকেট ইলাস্টিক উদ্ধার করা হয়েছে। ককটেল তৈরির উপাদান বিচূর্ণ করার কাজে ব্যবহৃত একটি ব্লেন্ডার ও একটি জারও উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়া বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছেন, লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে অজ্ঞাত এক ভ্যানচালকের সহায়তায় মুখোশগুলো তার কাছে পাঠানো হয়েছিল। পরে বিভিন্ন নেতা-কর্মীর মধ্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে সেগুলো তার বাসায় সংরক্ষণ করা হয় বলে পুলিশকে জানিয়েছেন তিনি।

পুলিশের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে ইমনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে মুখোশ ও বিস্ফোরক তৈরির সঙ্গে তিনি সরাসরি জড়িত ছিলেন কি না, সেটিসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ইমনের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post a Comment (0)

নবীনতর পূর্বতন
📢 আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন
প্রগতি বার্তা
আপনার ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার করুন
হাজারো পাঠকের কাছে পৌঁছে দিন আপনার বিজ্ঞাপন
progatibarta.com

💬 WhatsApp এ যোগাযোগ করুন
সরাসরি যোগাযোগ: ০১৩০৯০৮১৪৯০

𝑷𝒓𝒐𝒈𝒂𝒕𝒊𝑩𝒂𝒓𝒕𝒂

প্রগতি বার্তা
সত্যের সন্ধানে নির্ভীক