পাঁচ জেলায় ২৪ ঘণ্টায় ৫ লাশ উদ্ধার।

৫ জেলা

প্রগতি ডেস্ক:  দেশের পাঁচ জেলার বিভিন্ন স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় পৃথক ঘটনায় এক নারীসহ পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ময়মনসিংহ, খুলনা ও টাঙ্গাইলে তিনজনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া চাঁদপুরে এক যুবকের অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং কুমিল্লায় ছোট ভাইয়ের মারধরের শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

ময়মনসিংহে যুবককে পিটিয়ে ও জবাই করে হত্যা

ময়মনসিংহ নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোড কলোনি এলাকায় মিজানুর রহমান রুবেল নামে এক যুবককে পিটিয়ে এবং গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা বলে অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চাঁদপুরে অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরমুঘুয়া গ্রামে রোববার সকালে রিমন (১৯) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয়দের খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

খুলনায় ভ্যানচালকের গলাকাটা লাশ

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় সমির ভট্ট (৩৫) নামে এক ভ্যানচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতের কোনো এক সময় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।

টাঙ্গাইলে মুদি ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ী এলাকা থেকে রোববার সকালে মাসুদ মিয়া (৪৮) নামে এক মুদি ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

কুমিল্লায় ভাইয়ের মারধরে বোনের মৃত্যু

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় মাদকাসক্ত ছোট ভাই ছানাউল্লাহর মারধরের শিকার হয়ে মানসিক প্রতিবন্ধী বড় বোন ফাহিমা আক্তার (৩২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার মারধরের পর গুরুতর আহত ফাহিমাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছানাউল্লাহকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে মৃত্যুর ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

পৃথক এসব ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিটি মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post a Comment (0)

নবীনতর পূর্বতন