ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেসে ফের ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প।

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের প্রতীকী ছবি

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (EMSC) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ফ্লোরেস অঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। অগভীর গভীরতায় সংঘটিত হওয়ায় ভূমিকম্পটির কম্পন সংশ্লিষ্ট এলাকায় অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে নতুন এই ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

নতুন এই ভূমিকম্পের ঘটনা এমন সময় ঘটল, যখন কয়েক দিন আগে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্লোরেস ও পূর্ব নুসা তেংগারা অঞ্চলে এখনো উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলছে।

এর আগে গত ১৫ আগস্ট ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ওই ভূমিকম্পের পর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং হাজারো মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বাধ্য হন। ভূমিকম্পটির পর একের পর এক আফটারশকও অনুভূত হচ্ছিল।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-ভৌত সংস্থা বিএমকেজির তথ্য অনুযায়ী, ১৫ আগস্টের প্রধান ভূমিকম্পের পর ১৯ আগস্ট পর্যন্ত ৩ হাজারের বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী আফটারশকের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ২। ভূমিকম্প-পরবর্তী কম্পনের প্রবণতা সামগ্রিকভাবে কমলেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছিল।

রয়টার্সের ১৭ আগস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ১৫ আগস্টের ভয়াবহ ভূমিকম্পে পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার নুসা তেংগারা অঞ্চলে অন্তত ৬৮ জন নিহত এবং ২০০ জনের বেশি আহত হন। ভূমিধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয় এবং প্রায় ৫০০টি বাড়ি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। কয়েক হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে অবস্থান নেন।

ফ্লোরেস ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর অংশ হওয়ায় দেশটিতে নিয়মিত ভূমিকম্প হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক ধারাবাহিক কম্পনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তবে বৃহস্পতিবারের ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে নতুন করে কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে—এমন তথ্য এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post a Comment (0)

নবীনতর পূর্বতন
প্রগতি বার্তা
ব্রেকিং নিউজ
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...
00:00:00

𝑷𝒓𝒐𝒈𝒂𝒕𝒊𝑩𝒂𝒓𝒕𝒂

প্রগতি বার্তা
সত্যের সন্ধানে নির্ভীক