প্রগতি বার্তা
ব্রেকিং নিউজ
সর্বশেষ সংবাদ লোড হচ্ছে...
◷ 00:00:00

বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক ইনভেসিভ ব্রেইন চিপ অনুমোদন দিল চীন।

মস্তিষ্কের চিপ প্রযুক্তিতে চীনের সাফল্য

প্রযুক্তি ডেস্ক:  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস (BCI) প্রযুক্তিতে বড় অগ্রগতির ঘোষণা দিয়েছে চীন। দেশটির ন্যাশনাল মেডিক্যাল প্রোডাক্টস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NMPA) বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অনুমোদিত ইনভেসিভ ব্রেইন-কম্পিউটার চিপ 'NEO'-এর অনুমোদন দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে পক্ষাঘাতগ্রস্ত মানুষের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।

চীনের সিংহুয়া ইউনিভার্সিটি এবং Neuracle Technology-এর যৌথ উদ্যোগে তৈরি NEO চিপটি খুলির ভেতরে স্থাপন করা হলেও এটি মস্তিষ্কের গভীরে প্রবেশ করে না। বরং ডুরা ম্যাটারের ওপর স্থাপিত বিশেষ সেন্সরের মাধ্যমে মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক সংকেত সংগ্রহ করে কম্পিউটারে পাঠায়। পরে উন্নত অ্যালগরিদম সেই সংকেত বিশ্লেষণ করে রোবটিক গ্লাভস, কম্পিউটার কার্সার বা অন্যান্য সহায়ক ডিভাইস পরিচালনার নির্দেশ দেয়।

এই প্রযুক্তির কার্যকারিতার বাস্তব প্রমাণও ইতোমধ্যে মিলেছে। গাড়ি দুর্ঘটনায় ছয় বছর ধরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত থাকা এক রোগী NEO চিপ এবং একটি রোবটিক গ্লাভসের সহায়তায় প্রথমবারের মতো নিজের নাম লিখতে সক্ষম হয়েছেন। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এটিকে স্নায়ুবিজ্ঞান ও পুনর্বাসন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।

এদিকে, সাংহাইভিত্তিক NeuroXess-ও ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পরীক্ষামূলক ব্যবস্থায় একজন পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তি শুধু চিন্তার মাধ্যমে কম্পিউটারের কার্সার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ঘরের বিভিন্ন স্মার্ট ডিভাইস পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, তারা এমন একটি Large Language Model (LLM) তৈরি করেছে, যা মস্তিষ্কের সংকেত বিশ্লেষণ করে রিয়েল-টাইমে প্রতি মিনিটে প্রায় ৩০০টি ম্যান্ডারিন অক্ষর ডিকোড করতে পারে। ভবিষ্যতে কথা বলার ক্ষমতা হারানো রোগীদের চিন্তাকে সরাসরি ভাষায় রূপান্তর করার ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে গবেষকদের ধারণা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস প্রযুক্তি এখনো দ্রুত উন্নয়নের পথে রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা, কার্যকারিতা, গোপনীয়তা এবং নৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করা গেলে চিকিৎসাবিজ্ঞানে BCI প্রযুক্তি আগামী দিনের অন্যতম যুগান্তকারী উদ্ভাবন হয়ে উঠতে পারে।

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post a Comment (0)

নবীনতর পূর্বতন
📢 আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন
প্রগতি বার্তা
আপনার ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার করুন
হাজারো পাঠকের কাছে পৌঁছে দিন আপনার বিজ্ঞাপন
progatibarta.com

💬 WhatsApp এ যোগাযোগ করুন
সরাসরি যোগাযোগ: ০১৩০৯০৮১৪৯০

𝑷𝒓𝒐𝒈𝒂𝒕𝒊𝑩𝒂𝒓𝒕𝒂

প্রগতি বার্তা
সত্যের সন্ধানে নির্ভীক