প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সংঘটিত প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান—সব ক্ষেত্রেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছে।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে আসছে। একই সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠান জাতির সংকটময় প্রতিটি সময়ে নেতৃত্ব দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে শক্তিশালী করেছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থী আত্মত্যাগ করেছেন। তাদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তচিন্তা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নেতৃত্ব তৈরির মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
উল্লেখ্য, ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী এ বাণী দেন। এ বছর দেশের অন্যতম প্রাচীন এই বিদ্যাপীঠটি প্রতিষ্ঠার ১০৫ বছর পূর্ণ করে ১০৬তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন