ডেস্ক নিউজ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) প্রয়াত আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে এসে ২০১২ সালে নিখোঁজ হওয়া সাক্ষী সুখরঞ্জন বালী অপহরণ মামলায় পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আলোচিত এ ঘটনাটি ঘটে ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর। সেদিন সুখরঞ্জন বালী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দিতে আদালতে উপস্থিত হন। অভিযোগ অনুযায়ী, আদালত প্রাঙ্গণের মূল ফটকের সামনে থেকে সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ সময় তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে সুখরঞ্জন বালী দাবি করেন, তাকে চোখ বেঁধে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। পরে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর কাছে হস্তান্তর করে। এরপর তিনি ভারতের বিভিন্ন কারাগারে প্রায় পাঁচ বছর আটক ছিলেন বলে অভিযোগ করেন। ২০২৫ সালের আগস্টে সুখরঞ্জন বালী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটরের দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তার ভাই হত্যার ঘটনায় আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে অপহরণ, নির্যাতন এবং সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পাঠানো হয়। অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুখরঞ্জন বালী অপহরণের ঘটনায় আরও যাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে নতুন তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) প্রয়াত আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে এসে ২০১২ সালে নিখোঁজ হওয়া সাক্ষী সুখরঞ্জন বালী অপহরণ মামলায় পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আলোচিত এ ঘটনাটি ঘটে ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর। সেদিন সুখরঞ্জন বালী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দিতে আদালতে উপস্থিত হন। অভিযোগ অনুযায়ী, আদালত প্রাঙ্গণের মূল ফটকের সামনে থেকে সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ সময় তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে সুখরঞ্জন বালী দাবি করেন, তাকে চোখ বেঁধে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। পরে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর কাছে হস্তান্তর করে। এরপর তিনি ভারতের বিভিন্ন কারাগারে প্রায় পাঁচ বছর আটক ছিলেন বলে অভিযোগ করেন। ২০২৫ সালের আগস্টে সুখরঞ্জন বালী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটরের দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তার ভাই হত্যার ঘটনায় আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে অপহরণ, নির্যাতন এবং সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পাঠানো হয়। অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুখরঞ্জন বালী অপহরণের ঘটনায় আরও যাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে নতুন তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন